Sunday, November 18, 2018

জেনে নিন জিরার ৬টি অসাধারণ স্বাস্থ্য উপকার : জিরার গুণ

নিত্য প্রয়োজনীয় মসলাগুলোর মধ্যে অন্যতম জিরা। রান্না করা খাবার সুস্বাদু করতে কিন্তু এর জুড়ি মেলা ভার। রান্না ছাড়াও জিরার আরও অনেক স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে।
জেনে নিন স্বাস্থ্য সুরক্ষায় জিরার কিছু কাজ:
ডায়াবেটিস
ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীদের বেশি করে জিরা খাওয়া দরকার। মসলাটি শুধু তাদের ডায়েটকে নিয়ন্ত্রণে রাখে না; একইসাথে রক্তে চিনির পরিমাণও কমিয়ে দেয়।
পৌষ্টিক স্বাস্থ্য
জিরা পাচনতন্ত্রের জন্য খুবই উপকারী। বদহজম, ডায়রিয়া, পেট ফাঁপা প্রভৃতি রোগ উপশমে জিরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। জিরা বমি বমি ভাব দূর করে। এছাড়া জিরাতে থাইমোল রয়েছে; যা পাকস্থলিতে এসিড উৎপাদন করে খাদ্য থেকে সর্বোচ্চ পুষ্টি লাভে সহায়তা করে।
দূষণরোধ
জিরা শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি করে। কিডনি ও লিভারের কার্যকারিতা বাড়িয়ে দিয়ে বিপাক ক্রিয়ার উন্নতি ঘটায়। এতে শরীর থেকে দূষিত পদার্থগুলো বের হয়ে যেতে পারে। ফলে বিভিন্ন রোগের সংক্রমণ থেকে শরীর পায় সুরক্ষা।
ত্বকের সুরক্ষা
লাল লাল ফুসকুড়ি, ব্রণ ইত্যাদি শরীর থেকে দূষিত পদার্থ বের করে দেওয়ার জন্য হয়। বিপাক ক্রিয়ার মাধ্যমে শরীর থেকে দূষিত পদার্থগুলো বের হয়ে গেলে ত্বকের উপর এর প্রভাব কমে আসে। জিরা পাচনতন্ত্রের যত্ন নেওয়ার মাধ্যমে ত্বকের সুরক্ষাও দিয়ে থাকে।
হাঁপানি
হাঁপানিতে আক্রান্ত রোগীরা জিরা বীজের সুবাস নিলে ভালো উপকার পেতে পারেন।
মাসিক নিয়মিত করে
যেসব নারীরা অনিয়মিত মাসিক সমস্যায় ভোগেন তাদের জন্য জিরা ভালো কাজ দেয়। এর কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই।
রক্তস্বল্পতার সমাধান করে
জিরায় প্রচুর পরিমাণে আয়রণ থাকায় তা হিমোগ্লোবিনের মাত্রাকে বাড়াতে সাহায্য করে। যারা রক্তস্বল্পতার সমস্যায় ভোগেন তাদের জন্য ভালো কাজ করে মসলাটি।
বয়স কমিয়ে দেয়
তারুণ্য ধরে রাখতে জিরা খাওয়ার কোনো বিকল্প নেই। কাজেই বয়সের ছাপ রুখতে মসলাটি কম-বেশি সব তরকারিতে খাওয়া ভালো।
গ্যাস্ট্রিক সমস্যার সমাধান
গ্যাস্ট্রিকে সমস্যা দূর করতেও সাহায্য করে জিরা।
রক্ত বিশুদ্ধকরণ
রক্তকে বিশুদ্ধ করতে জিরার বিকল্প নেই। প্রতিদিনের খাবারে জিরার গুঁড়া দিলে তা স্বাস্থ্যের জন্যও অনেক ভালো।
ক্যান্সার প্রতিরোধক
গবেষণায় দেখা গেছে, জিরাতে শক্তিশালী ক্যান্সার বিরোধী বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এটি পেট ও লিভার ক্যান্সারের বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষামূলক প্রভাব রাখতে পারে। এছাড়া জিরাতে বিদ্যমান এন্টি-ফ্রির্যা ডিকেলস উপাদান ক্যান্সারের বিস্তার রোধ করে।
এছাড়া কিডনি সমস্যাসহ খুশকি দূর করা, শ্বাস-প্রশ্বাসজনিত নানা সমস্যা, হজমশক্তি বাড়ানো ও বিপাকীয় কার্যকলাপে ভূমিকা রাখে জিরা। তাই সুস্থ থাকতে প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় জিরা খাওয়ার বিকল্প নেই।
তথ্যসূত্র: বোল্ডস্কাই

No comments:

Post a Comment

আখ খাবেন কেন?

এক গ্লাস আখের রস আপনাকে সুস্থ রাখতে পারে। আখে রয়েছে কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন, আয়রন, পটাশিয়াম, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ম্যাগনেসিয়াম, ক্যা...